যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সামরিক বাহিনী কার্যকরভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি অবরুদ্ধ করছে। এতে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক আঘাত লেগেছে; জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে ওয়াশিংটনের ওপর। তেহরান বলেছে, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ছাড়া সবার জন্য উন্মুক্ত। এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের তেল রপ্তানির এক-পঞ্চমাংশ যায়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সিবিএসকে বলেন, জাহাজের জন্য নিরাপদ পথ খুঁজতে ‘বেশ কয়েকটি দেশ’ তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিষয়টি তাদের সামরিক বাহিনীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে জানান তিনি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার ফলে গত শনিবার দুটি ভারতীয় পতাকাবাহী গ্যাস ট্যাঙ্কার প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ১০টি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা হয়েছে। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। প্রণালির আশপাশে প্রায় এক হাজার তেল ট্যাঙ্কার আটকা পড়ে আছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তেহরান দেখিয়েছে– তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে যতদূর প্রয়োজন, ততদূর যেতে প্রস্তুত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি– এখন তারা একটি ভালো শিক্ষা পেয়েছে এবং বুঝতে পেরেছে তারা কোন ধরনের জাতির সঙ্গে মোকাবিলা করছে। ইরানিরা নিজেকে রক্ষা করতে দ্বিধা করে না এবং যুদ্ধ যেখানেই হোক না কেন চালিয়ে যেতে এবং যতদূর প্রয়োজন ততদূর যেতে প্রস্তুত।’
http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16134